December 31, 2019

রুকইয়াহ শারইয়্যাহ ইনডেক্স

সর্বশেষ আপডেট: ২০ জুন, ২০১৮ 

কোনো লেখা পড়তে সংশ্লিষ্ট শিরোনামে ক্লিক করুন। প্রাথমিক ধারনার জন্য প্রথম অধ্যায়ের লেখাগুলো দ্রষ্টব্য...
রুকইয়াহ বিষয়ে যেকোন সাহায্য ও পরামর্শের জন্য রুকইয়াহ সাপোর্ট গ্রুপ - Ruqyah Support BD গ্রুপে যোগ দিন। সরাসরি রুকইয়াহ করাতে চাইলে Ruqyah Center Bangladesh - বাংলাদেশ রুকিয়া সেন্টার-এ যোগাযোগ করুন।


[লক্ষণীয়ঃ কোনো লেখা প্রিন্ট করতে চাইলে অথবা ফেসবুক ব্যাতিত অন্য কোথাও প্রকাশ করতে চাইলে অনুমতি নেয়া আবশ্যক। একাধিক লেখা একত্র করা অথবা পিডিএফ বানানো থেকে বিরত থাকুন..]


অধ্যায়-১: রুকইয়াহ বিষয়ে..

  1. রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি ওয়েবসাইট
  2. সারসংক্ষেপ রুকইয়াহ শারইয়্যাহ | [old v]
  3. আয়াতে রুকইয়াহ লিস্ট এবং পিডিএফ
  4. রুকইয়াহ শারইয়্যার গুরুত্ব এবং ফযিলত!
  5. রুকইয়াহ কী? এর শরঈ বিধান কী? | [old v]
  6. রুকইয়া বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা | [old v]
  7. রুকইয়াহ শারইয়াহ; প্রাথমিক পরিচিতি

অধ্যায়-২: বদনজর বিষয়ক

  1. পর্ব -১ (বদনজর বিষয়ে ইসলামী আক্বিদা)
  2. পর্ব -২ (সালাফের মুল্যায়ন, নজর লাগার লক্ষণ)
  3. পর্ব -৩ (বদনজর থেকে বাঁচার উপায়, কিছু ঘটনা)
  4. পর্ব -৪ (রুকইয়ার শরঈ বিধান, বদনজরের চিকিৎসা)

অধ্যায়-৩: জিনের আসর বিষয়ক

  1. পর্ব-১ (জ্বিনের আসর বিষয়ে ইসলামী আক্বিদা)
  2. পর্ব-২ (সালাফে সালেহীনের কিছু ঘটনা)
  3. পর্ব-৩ (আসরের প্রকারভেদ, কখন আক্রান্ত হয়)
  4. পর্ব-৪ (আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ, বাঁচার কিছু টিপস)
  5. পর্ব-৫ (বাড়ি থেকে জ্বিন তাড়ানো, রাক্বী’র গুণাবলী, বই)
  6. পর্ব-৬ (জ্বিন আসরের চিকিৎসা)
  7. পর্ব-৭ (রাক্বির জরুরী জ্ঞাতব্য বিষয়, যাদুর সাধারণ চিকিৎসা)
  8. পর্ব-৮ (কিছু প্রায়োগিক বাস্তব ঘটনা)

অধ্যায়-৪: কালো যাদু বিষয়ক

  1. পর্ব-১ (যাদু বিষয়ে ইসলামী আক্বিদা)
  2. পর্ব-২ (সালাফের মন্তব্য, কিভাবে যাদু করে, সতর্কতা)
  3. পর্ব-৩ (পূর্ব কথা, রুকইয়ার আয়াত, পিডিএফ)
  4. পর্ব-৪ (বিয়ে ভাঙার বা আটকে রাখার যাদু)
  5. পর্ব-৫ (সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটানোর যাদু)
  6. পর্ব-৬ (আসক্ত, অনুগত বা বশ করার যাদু)
  7. পর্ব-৭ (শারীরিকভাবে অসুস্থ বানানোর যাদু)
  8. পর্ব-৮ (পাগল করা এবং পড়ালেখা নষ্টের যাদু)
  9. পর্ব-৯ (দুই প্রকার সেক্সুয়াল ডিজিজের জন্য যাদু)
  10. পর্ব-১০ (গর্ভের সন্তান নষ্ট করার যাদু)
  11. পর্ব-১১ (প্রাসঙ্গিক কিছু ঘটনা)
  12. পর্ব-১২ (যাদু এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়)
  13. সিহরের কমন রুকইয়াহ | বরই পাতার গোসল

অধ্যায়-৫: ওয়াসওয়াসা রোগ

  1. ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ
  2. ওয়াসওয়াসা রোগের জন্য রুকইয়াহ
  3. ওয়াসওয়াসা রোগ থেকে মুক্তির উপায় [video] 
  4. অনাহূত ভাবনা ও তার প্রতিকার [ext] 

অধ্যায়-৬: অন্যান্য অসুস্থতা

  1. শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতার জন্য রুকইয়াহ
  2. ব্যাথার জন্য রুকইয়াহ
  3. মনভুলা রোগের জন্য রুকইয়াহ
  4. ঠাণ্ডার (হাঁপানি, এলার্জি বিবিধ) জন্য রুকইয়াহ
  5. অলসতা, ক্লান্তি, দুর্বলতা ইত্যাদির সমাধান
  6. হাড়ক্ষয় রোগের জন্য রুকইয়াহ
  7. চোখের সমস্যার জন্য রুকইয়াহ
  8. তোতলামির সমস্যা এবং করণীয়

অধ্যায়-৭: সাপ্লিমেন্টারী

  1. সুন্নাহসম্মত যত রুকইয়াহ | রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্টারী
  2. জেনারেল রুকইয়াহ এবং কার্স স্পেল
  3. কার্স ফর কবিরাজ!
  4. রুকইয়াহ এবং দোয়া
  5. তিন স্তরের রুকইয়াহ
  6. রুকইয়াহ অডিও
  7. রুকইয়ার গোসল
  8. পানিপড়া এবং রুকইয়াহ
  9. বাথ সল্ট এবং গোসল
  10. রুকইয়াহ যিনা!

অধ্যায়-৮: প্রচলিত ভুল ধারণা

  1. রুকইয়াহ এবং রেফারেন্স
  2. রুকইয়ার অডিও মানেই রুকইয়া?
  3. রুকইয়া করতে বুজুর্গ হওয়া লাগে?
  4. রুকইয়া শুনলে ঘুম আসছে?
  5. মেয়েরাও কি রুকইয়া করতে পারে?
  6. রুকইয়াহ করলে সমস্যা হচ্ছে?
  7. অমুসলিমদের জন্য রুকইয়া করা যায় না?
  8. কুফরি কাটাতে কুফরি করা লাগবে?
  9. যাদুর জিনিশ ধ্বংস না করে সুস্থ হওয়া যায়না?
  10. ঝাড়ফুঁক জায়েজ তাই তাবিজও জায়েজ?
  11. রুকইয়ার অডিও শোনা কি বিদ’আত?
  12. রুকইয়াহ করলে কি জান্নাতে যাওয়া যাবে না?
  13. রুকইয়া সংক্রান্ত কিছু হাদিস, সংশয় ও পর্যালোচনা

অধ্যায়-৯: পরিশিষ্ট

  1. আল-আশফিয়া: রুকইয়াহ ডিটক্স প্রোগ্রাম (7 days detox)
  2. সর্বজনীন পূর্ণ রুকইয়াহ প্রোগ্রাম (full ruqyah routine)
  3. রুকইয়ার করার পর সাইড ইফেক্ট সামলানো
  4. জিনদের সাহায্য নেয়া যাবে কি?
  5. ফেরেশতা হাজির করার আমল নাকি শয়তান পুঁজা?
  6. যেসব মুত্তাকী ব্যক্তি বাতিল কবিরাজি করেন...
  7. রুকইয়াহ শিরকিয়্যাহ
  8. বাচ্চাদের রুকইয়ার সময় লক্ষণীয়
  9. সুস্থ হতে আমার এত দেরি লাগছে কেন?
  10. রুকইয়াহ এবং ঔষধ
  11. বিপদের সময় কি দোয়া করবেন?

অধ্যায়-১০: উম্মে আব্দুল্লাহর লেখা

  1. রুকইয়া বিষয়ে অভিজ্ঞতার বর্ণনা
  2. রুকইয়াহ বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা
  3. রুকইয়াহ নিয়ে যত কথা..
  4. ভয়....
  5. আমাকে কে যাদু করেছে?
  6. রুকইয়ার দ্বারা সমাধান বিষয়ে..
  7. নজর লাগা..
  8. রুকইয়াহ: বিয়ে নিয়ে ইয়ে
  9. পিরিয়ড বিষয়ক সমস্যা
  10. বাচ্চা না হওয়া..
  11. রুকিয়া এবং কিছু অপ্রিয় সত্য 

অন্যান্য: অডিও-ভিডিও, অ্যাপ

  1. দি মুসলিম গ্লাস পডকাস্ট (জিন, যাদু, রুকইয়াহ) - ১
  2. All in one: বদনজরের রুকইয়াহ অ্যাপ
  3. অল্প কথায় রুকইয়ার A-Z (lecture) 

______
এই নোটের শর্টলিংক- http://ruqyahbd.com/index
রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি ওয়েবসাইট- http://ruqyahbd.com
ইউটিউব চ্যানেল- http://www.youtube.com/ruqyahbd
ডাউনলোড পেজের শর্টলিংক- http://ruqyahbd.com/d
Share:

October 23, 2018

প্রেম-ভালোবাসা প্রসঙ্গ এবং রুকইয়াহ!

- উম্মে আব্দুল্লাহ
------------

[ক]
ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক সকল অবস্থাতেই বিবাহ বহির্ভূত প্রেম-ভালোবাসা সম্পূর্ণ নাজায়েজ।
কিন্তু শয়তানের ধোঁকায় পড়ে কিংবা না বুঝে অনেকেই এই হারাম কাজে জড়িয়ে পড়েন। আর এ থেকে বের হতে চাইলেও শয়তান নানা ধরনের ধোঁকায় ফেলে। যেমনঃ
-আমি প্রেম করছি কিন্তু উদ্দেশ্য আমার সৎ। পরে বিয়ে করে ফেলবো।
-আমরা কোন অশ্লীল কথা বলি না। বরং দ্বীন পালনে একে অপরকে সহায়তা করি।
-একজন আরেকজনের সাপোর্টার। একজন না থাকলে আরেকজন ঠিকঠাকমত ইবাদাত করতে পারি না।
-সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়..
-আমি তো যিনা করছিনা। নিরাপদ দুরুত্ব বজায় রেখেছি। তাহলে এতে অন্তত গুনাহ হবেনা।
কিন্তু আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ

وَلَا تَقْرَبُوا ٱلزِّنَىٰٓۖ إِنَّهُۥ كَانَ فَٰحِشَةً وَسَآءَ سَبِيلًا 
আর যিনা-ব্যভিচারের কাছেও যেও না, তা হচ্ছে অশ্লীল কাজ আর অতি জঘন্য পথ। (সুরা বনী ইসরাঈল- ৩২)

এখানে যিনা-ব্যভিচার করা তো দূরের কথা এর ধারে কাছেও যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সুতরাং আমরা যে যতই যুক্তি দেখাই সব কিছুর জন্য কুর'আনের এই একটি আয়াতই যথেষ্ট। এখানে আর কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না। আর তাছাড়া আপনি যাই বলুন না কেন, হারামকে হালাল করতে পারবেন না। যা হারাম তা সকল অবস্থাতেই হারাম। আর ইবাদাত যদি আল্লাহর সন্তুষ্টিরর জন্য হয়, তাহলে এইসব লেইম এক্সকিউজের তো দরকারই পড়েনা।


[খ]
অনেকে আবার বলেন সবই তো জানি, বুঝি কিন্তু এত ভালোবাসি যে ফিরে আসতে পারিনা।
তাহলে বলবো এইসব ভালোবাসার থেকে আমার রবের ভালোবাসা অনেকদামী।
কুর'আনুল কারিমে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: "আর যারা বিশ্বাসী তাঁর আল্লাহকে অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালবাসে।" (সুরা বাকারা-১৬৫)

তাঁর ভালোবাসার সামনে দুনিয়াবি এইসব নকল, নোংরা ভালোবাসার আদৌ কি কোন মুল্য আছে?? বরং এইটাতে শুধু মনের শান্তি নষ্ট হয়ে যায়। অন্তর তাঁর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যায়।
এ সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেন- "যে আমার স্মরন হতে মুখ ফিরাবে, তার জন্য রয়েছে সংকীর্ণ জীবন" (সুরা ত্বহা-১২৪)

বাস্তবে এর দ্বারা দুঃখ, যন্ত্রণা, অপমান, অশান্তি ছাড়া আদৌ কি কিছু পাওয়া যায়?? বরং হারাম সম্পর্কের জন্য দুনিয়া ও আখিরাত দুটোই বরবাদ হয়ে যায়। যারা না বুঝে এ ধরনের সম্পর্কে জড়িয়েছেন তারা কোন কিন্তু ছাড়াই এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসুন।
আর যারা এখনও এমন কিছু করেন নি, উনারা তাঁর কাছে শুকরিয়া আদায় করুন আর ভবিষ্যতে এমন নাফরমানি থেকে পানাহ চান। আর যাদের ব্রেকাপ হয়ে গেছে তারা আরো বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করুন। আপনার রব আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন বিধায় এই হারাম সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দিয়েছেন।

আর হ্যাঁ! ভুল করেছেন বলে নিরাশ হবেন না। খাস দিলে তওবা করুন। তওবাকারীকে আল্লাহ তা'আলা অধিক পছন্দ করেন। বিষয়টা এমনই!
সুতরাং চিন্তা কিসের?? রব্বুল আ'লামীনের ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করার জন্য নিজেকে সংশোধন করে ফেলুন।

[গ]
এখন কথা হচ্ছে অনেকেই এই হারাম সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চান কিন্তু পেরে উঠেন না তাই আমল চান। তাদের জন্য আমল না এক্ষেত্রে আপনার ইচ্ছাশক্তি প্রয়োজন। হতাশ না হয়ে চেষ্টা করেন সফল আপনি হবেনই ইনশাআল্লাহ।
এজন্য কিছু টিপস ফলো করতে পারেন যা আপনার জন্য সহায়ক ভুমিকা পালন করবে আশা রাখি:

♦সবথেকে উত্তম পন্থা হচ্ছে বিয়ে করে নেয়া। পরিবারকে বুঝান সব রকমভাবে। কারন বিয়েই হচ্ছে এই হারাম রিলেশন থেকে বাঁচার উত্তম উপায়। মনে রাখবেন আপনি যা করছেন তা আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য করছেন। তাই কে কি করছে, কে কি বলবে তা নিয়ে চিন্তা না করে রবের উপর তাওয়াক্কুল করে বিয়ের ব্যাপারে ফিকির করুন। পরিবারকে বুঝান। আর যদি না পারেন। তাহলে তাঁর কাছে একদম দিল থেকে বারবার সাহায্য চান। ইস্তিখারা করুন। আর এই কাজগুলো অবশ্যই তার সকল হারাম সম্পর্ক ছিন্ন করে তওবা করে করবেন।
অনেকে আবার ভালোবাসার মান রাখতে গিয়ে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন, পরবর্তীতে আরো ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়। তাই যাই করুন না চিন্তা -ভাবনা, আর তাঁর কাছে সাহায্য চেয়ে (ইস্তিখারা) করে করুন।

♦আর যদি সম্ভব না হয় তাহলে প্রথমেই তার সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করুন। তার দেয়া গিফট বা এমন কিছু যা আপনাকে তার কথা মনে করিয়ে দিবে সেসব জিনিস সরিয়ে ফেলুন। তার টেক্সট, ফোন নং, ছবি বা পছন্দের কিছু থাকলে সেগুলোও ডিলিট করে দিন। আর ফেসবুকে থাকলে আনফ্রেন্ড না সরাসরি ব্লক করে দিন। এছাড়া যাদের সাথে মিশলে বা কথা বললে মনে পড়ার আশংকা আছে তাদের সাথেও দুরত্ব বজায় রেখে চলুন। আর মনটাকে বুঝিয়ে দিন আপনি আর এই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চান না। আপনি পুনরায় এমন ভয়ংকর গুনাহ করতে চান না। এক্ষেত্রে শয়তান আপনাকে খোঁচাতে থাকবে নানাভাবে। কিন্তু আপনি এই ফাঁদে পা দিবেন না। মনে রাখবেন এইটাই আপনার রবের সাথে সম্পর্ক মজবুত করার উপযুক্ত সময়।

♦এমন কোন স্থান যেখানে গেলে 'দেখা হওয়া বা মনে পড়ার' সম্ভাবনা আছে সেগুলো এড়িয়ে চলুন। অনেকের আগে দুঃখ বিলাস টাইপ ভুত মাথায় চাপে। দয়া করে এটা করবেন না। অতীতের কিছু মনে করে মন খারাপ বা মন ভালো করার চেষ্টা করবেন না। আমি তো বলি জোর করে কিছু ভুলতে বা মনে করতে চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন, "Time is the best healer."

♦সকল প্রকার প্রেমের উপন্যাস, কবিতা, কাহিনী, সিনেমা, নাটক, গান থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সম্পর্কিত যত পেইজে লাইক দেয়া আছে বা ফলো করেন সেগুলো আনফলো করে দিন। আর ইসলামিক পেজ, ইন্সপিরেশনাল পেইজগুলো এড করুন।

♦প্রেম-ভালোবাসার কুফল সম্পর্কে চিন্তা করুন। এর ফলে আশেপাশে, সমাজে যে ভয়ানক ঘটনাগুলো ঘটছে সেগুলো স্মরণ করুন। আর আপনার অতীতের কথা মনে আসলে খারাপ সময়টার কথা স্মরণ করুন। আর নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করুন। তাদের ভালোবাসা, বিশ্বাসের কথা স্মরণ করুন।

[ঘ]
এইগুলো তো গেলো দূরে যাওয়ার টিপস। এখন আপনি যদি বলেন এইগুলো সব আমি জানি এবং ফলো করা শুরু করেছি। এখন ভুলে যাওয়া বা এ থেকে দূরে থাকার জন্য কোন আমল, রুকইয়াহ বা দোয়া থাকলে বলেন।
তাহলে বলবো জ্বী অবশ্যই চিকিৎসা আছে।

♦পাক পবিত্র হয়ে সম্ভব হলে ফরজ গোসল দিয়ে তওবার উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করুন। পুর্বেকৃত গুনাহর জন্য তওবা করুন আর ভবিষ্যতে এ ধরনের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার জন্য সাহায্য চান। প্রতিদিন দুই রাকাত করে নফল নামাজ পড়ে আল্লাহ তা'আলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন সকল নাফরমানির কাজ থেকে বিরত থাকার তৌফিক দানের জন্য। আর হ্যাঁ তাহাজ্জুদে আল্লাহর সাথে প্রেমালাপ মিস করবেন না কিন্তু।।

♦কোন কিছুর সফলতার পেছনের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে দু'আ। রব্বুল আ'লামীনের কাছে বেশি থেকে বেশি দু'আ করুন। তাঁর সাথে সম্পর্কটা মজবুত করুন। তাঁর ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করুন। দেখবেন তখন অন্তরে যেমন প্রশান্তি আসবে তেমনি অন্য কোন ভালোবাসার জন্যও মন কাঁদবেনা।
বেশি বেশি যিকর করুন, কুর'আনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করুন, ফরজ ইবাদাতসহ নফল ইবাদাতও গুরুত্বের সাথে করুন, নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করুন।

♦নেক সহবত তৈরী করুন। যাদের সোহবত পাপের পথে ঠেলে দেয়, তাদের থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখুন। তাদের সাথেই বন্ধুত্ব স্থাপন করুন যারা আপনাকে আল্লাহ তা'আলার স্মরণ হতে গাফেল হতে দিবে না। বরং আপনাকে পাপ কাজ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে।

♦নফসকে দুর্বল করার উত্তম হাতিয়ার হচ্ছে রোজা। কাজা রোজা থাকলে সেগুলোর নিয়াতেও করতে পারেন। নাহলে নফল রোজাও করতে পারেন। রোজার ফায়দা জানা আছে তো!! (হাদিসে এসেছে, রোজা কুপ্রবৃত্তিকে দমন করে)

♦বেশি বেশি করে মৃত্যু, কবর, কিয়ামত, হাশর, জাহান্নামের আজাবের কথা স্মরণ করুন। যা আপনাকে পাপ কাজ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করবে। আর তারপরেও যদি মনে বাজে খেয়াল আসে তাহলে নিজেকে শাস্তি দিন।। (যেমনঃ ভারি কোন নফল ইবাদত আবশ্যক করে নিন)

♦কুর'আন-হাদিস অধ্যায়নে লেগে থাকেন। মাসনুন আমলসহ সকল কাজ গুরুত্বের সাথে করুন।সম্ভব হলে দ্বীনি সার্কেল, মজলিসে জুড়ুন।

♦সাথে ইস্তিখারাও করে যান।দেখবেন আল্লাহ তা'আলা উত্তমটার২ ফয়সালা করবেন, আর সবকিছু সহজ করে দিবেন। (ইস্তিখারার নিয়মঃ http://bit.ly/istekhara-post )

♦বেশি বেশি করে এই দুয়া পাঠ করতে পারেন। আল্লাহ তা'আলা উত্তমটাই দান করবেন ইনশাআল্লাহ।

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ - اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا 
উচ্চারণঃ ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি র-জিঊন। আল্লাহুম্মা'জুরনী ফী মুসীবাতী, ওয়া আখলিফলী খইরম্মিনহা-
অর্থঃ আমরা আল্লাহরই, এবং আমর তার কাছেই ফিরব। ও আল্লাহ! আমাকে বিপদের জন্য প্রতিদান দাও এবং এর বিপরীতে আমাকে এরচেয়ে উত্তমটা দান করো”।

সাথে সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা বেশি বেশি পড়বেন।
ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻫَﺐْ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻨَﺎ ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺎﺗِﻦَﺍ ﻗُﺮَّﺓَ ﺃَﻋْﻴُﻦٍ ﻭَﺍﺟْﻌَﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ ﺇِﻣَﺎﻣًﺎﻭ
রব্বানা হাবলানা মিন আঝওয়াজিনা ওয়া যুররিইয়াতিনা ক্বুররতা আ'ইউনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বিনা ঈমামা।

♦ এটিও পড়ুন মাঝেমাঝে -

اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَالْعَمَلَ الَّذِى يُبَلِّغُنِى حُبَّكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ نَفْسِى وَأَهْلِى وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ
.
উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা হুব্বাক। ওয়া হুব্বা মান ইয়ুহিব্বুক। ওয়াল আমালাল্লাযী ইয়ুবাল্লিগুনী হুব্বাক। আল্লাহুম্মাজ'আল হুব্বাকা আহাব্বা ইলাইয়া মিন নাফসী ওয়া আহলী ওয়া মিনাল মা-ইল বারিদ'।

অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আপনার ভালোবাসা চাই এবং আপনাকে যে ভালোবাসে তার ভালোবাসা চাই, আর সেই আমলের ভালবাসা চাই যে আমল আমাকে আপনার ভালোবাসার পাত্র করে দিবে। হে আল্লাহ আপনার ভালোবাসা আমার নিকট যেন আমার নিজের জীবন, পরিবার এবং শীতল পানি থেকেও প্রিয় হয়ে যায়।" (তিরমিজী, হাদীস নং ৩৮২৮/৩৪৯০)
[এটা আতিক হুজুরের পোস্টে পেয়েছিলাম]

[ঙ]
সবশেষে বলবো ইসলামকে জানার চেষ্টা করুন।
আপনার নামাজ, কুর'আন সঠিকভাবে পালন হচ্ছে কিনা খেয়াল করুন। নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন সাধ্যানুযায়ী। অবশ্যই তা উত্তম পন্থায়, উত্তম কাজে, গান, মুভি বা নাটক দিয়ে না। আর আপনি কিভাবে গুনাহ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। কোনটা আপনার জন্য উত্তম এবং সহজ হবে তা আপনিই ভালো বুঝবেন। তবে তার জন্য দরকার ইচ্ছাশক্তি আর রব্বুল আ'লামীনের কাছে পূর্ণ সমর্পণ।।।

আর এসবের পরেও যদি মনে আসে, কিন্তু তাঁর সন্তুষ্টির কথা ভেবে নিজেকে সংযত রাখেন। সেক্ষেত্রে গুনাহ নয় বরং সবরের সওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ। তাই নিরাশ না হয়ে, অজিফা না খুঁজে চেষ্টা করতে থাকুন।
সফল হবেনই ইনশাআল্লাহ।

♦♦♦ এসবের পাশাপাশি প্রতিদিন রুকইয়াহ যিনা (ruqyahbd.org/download#zina) এবং অন্তত ৫০০ বার করে ইস্তিগফার ফলপ্রসূ হবে ইনশাআল্লাহ।

রব্বুল আ'লামীন সকলকে হারাম থেকে বাঁচার তৌফিক দিন, এজন্য উত্তম বদলা দিন, আর উত্তম জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিন। (আমীন)
Share:

October 18, 2018

সমস্যা যখন চুল পড়া...

- উম্মে আব্দুল্লাহ
------------------
.
নোটঃ এই সমস্যা নিয়ে গ্রুপে ইদানিং অনেক বেশি পোস্ট পড়ছে। যার পেছনে এডমিনদের অনেক সময় নষ্ট হচ্ছে। নষ্ট বললাম এজন্য, কারন এরচেয়ে বহুগুণ বেশি সিরিয়াস পোস্ট, কয়েকশটা জমে আছে পেন্ডিং এ। এডমিনদের তো সবই দেখতে হচ্ছে, এসব বারবার সামনে আসছে। তাই বাধ্য হয়ে সেদিন ফুফুকে এটা নিয়ে বললাম। পরে উনি এই লেখাটা প্রস্তুত করে দিয়েছেন। আশা করছি রুকইয়াহ সাপোর্ট গ্রুপের বোনদের জন্য লেখাটি উপকারী হবে।
.
------------------

[ক]
বর্তমানে চুল পড়া সমস্যা একটু বেশিই মনে হচ্ছে মন হয়। অনেকে এবিষয়ে অভিযোগ করছে। এই সমস্যার প্রধান কারন আমার কাছে মনে হয় পল্যুশন আর মাত্রাতিরিক্ত শ্যাম্পু-কন্ডিশনার ব্যবহার করা।
সবকিছুরই তো একটা সীমা থাকা উচিত।

তেমনি রুকইয়াহ বিষয়েও। এটাকে যাদুর কাঠি মনে না করা। সকল সমস্যার সমাধান এখানেই আছে, এমন মনে না করা। আর সব কিছুর জন্য রুকইয়ার খোঁজ না করা।

আমি বেশ ভালোভাবেই বুঝছি চুল পড়া নিয়ে আপনি চিন্তিত। কিন্তু তারমানে এই না, চুলের যত্ন না নিয়ে শুধু রুকইয়ার পেছনে ছুটবেন।

[খ]
চুল পড়া সমস্যার পেছনে অনেক কারন থাকতে পারে। বদনজর ছাড়াও খুশকি, অপুষ্টি, তেল/শ্যাম্পুজনিত নানা সমস্যা থাকতে পারে। অনেক সময় পানির কারনেও এমন হতে পারে। আবার দীর্ঘদিনের অসুস্থতা থেকেও এমনটা হতে পারে।
আগে খুঁজে বের করুন আপনার সমস্যার পেছনের কারন কি??
তারপর সে মোতাবেক চিকিৎসা করুন।
যদি মনে হয় অপুষ্টিজনিত কারনে বা কোন বিশেষ রোগের কারনে বা কোন শ্যাম্পু কন্ডিশনার ব্যবহার করার কারনে এমনটা হচ্ছে তাহলে খাবারের অভ্যাস চেঞ্জ করুন।
শ্যাম্পু, কন্ডিশনার চেঞ্জ করুন।।
পর্যাপ্ত পানি খান, পুষ্টিকর খাবার খান, বিশেষ করে যেগুলো চুলের আর ত্বকের জন্য উপকারী। যেমন- বাদাম,কিশমিশ,আমলকী খান। আর অবশ্যই ঘনঘন শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকুন।

[গ]
এছাড়া কমন কিছু বিষয় যা আমরা সবাই জানি তা মানার চেষ্টা করি।
যেমন-
- ভেজা চুল না আঁচড়ানো
- ভেজা চুল না বাঁধা বা ভেজা চুলে না ঘুমানো
- প্রতিদিন শ্যাম্পু না করা।
- সপ্তাহে অন্তত একদিন হটঅয়েল ম্যাসাজ করা।
- নিয়ম করে তেল দেয়া।
- একই তেল, বা শ্যাম্পু লাগাতার বেশিদিন ব্যবহার না করা। মাঝেমধ্যে চেঞ্জ করা।
- একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর হেয়ার প্যাক ব্যবহার করা। যেইটা আপনার চুলে স্যুট করে সেটা বুঝেশুনে।
-আর অবশ্যই যে চিরুনি ব্যবহার করবেন তা পরিষ্কার রাখা।।

 কোন তেল, শ্যাম্পু আপনার চুলের জন্য পারফেক্ট তা আপনিই ভালো বুঝবেন। তবে ক্যাস্টরওয়েল আমার খুবই ভালো কাজ করে আলহামদুলিল্লাহ। চুল পড়া কমায় আর চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অনেকের শুনি আমন্ডওয়েল কাজ করে। অনেকের খাঁটি নারিকেল তেল। আপনি যদি না বুঝেন, তাহলে শুরুতে সব তেলই একটু একটু করে টেস্ট করে দেখতে পারেন।
 খুবই উপকারী আরেকটা তেল হল কালোজিরার তেল। এইটার গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না...
আর যদি ডিটক্সের অলিভওয়েল থেকে যায় তাহলে সেটাও চুলে ইউজ করতে পারেন। চুল পড়া কমবে আর সিল্কি হবে ইনশাআল্লাহ।

শ্যাম্পুর মধ্যে Tresme আমার কাছে বেস্ট মনে হয়েছে, তবে দামটা একটু বেশি। এইদিক থেকে সমস্যা না থাকলে ইউজ করতে পারেন।
এছাড়া কমের মধ্যে ক্লিনিক প্লাসটা আমার বেশ ভালো লেগেছে আলহামদুলিল্লাহ।
অন্য আপুদের হয়তো অন্য কোন শ্যাম্পু ভালো লাগতে পারে। তাই আবারো বলছি এইগুলো নির্বাচন একদমই আপনার হাতে।

[ঘ]
এবার আসি হেয়ার প্যাক প্রসঙ্গে,
চুল পড়া কমাতে আর নতুন চুল গজাতে পেঁয়াজের রসের বিকল্প আমার কাছে কিছু মনে হয় না।
তবে খেয়াল রাখবেন রস যেন বেশিক্ষন মাথায় না থাকে। সর্বোচ্চ দুই ঘন্টা থাকলেই যথেষ্ট।
এছাড়া মেহেদীর কথাও উল্লেখযোগ্য। গাছের টাটকা মেহেদী থাকলে ওইটার সাথে কিছু পেঁয়াজের রস আর তেল মিশিয়ে ব্যবহার করে দেখতে পারেন। খুব বেশি লাভ না হোক, খারাপ কিছু হবে না ইনশাআল্লাহ।

আর কারো যদি জবা, মেহেদী আর কারি পাতা যোগাড় করা কঠিন না হয় তাহলে এইগুলোর পেস্ট বানিয়ে সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে পারেন।

একটা অনুরোধ, বাজারের চুল পড়া বন্ধ হবার যে ক্যামিকেল বা ওষুধ বিক্রি করা হয় সেগুলো থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখবেন।।

যাহোক, পরিশেষে এই কথাই বলব, নিজের চুলের ধরন বুঝে চুলের যত্ন নিন।।

[ঙ]
এবার আসি রুকইয়ার ব্যাপারে। বদনজরের কারনেও চুল পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে করনীয় হচ্ছে আর যেন নজর না লাগে সে ব্যবস্থা করা।
এখন ছাতা নিয়ে বেড়ালে ভালো হবে, নাকি হিজাব করলে ভালো হবে আপনিই ভালো বুঝবেন।
তবে বড় বড় হেয়ার স্পেশালিষ্ট, বিউটিশিয়ানরাও কিন্তু পল্যুশন থেকে বেঁচে থাকার কথা বলে।
যেইটার জন্য পর্দার বিকল্প কিছু নেই।
এখন যদি বলেন এত্ত লম্বা লেকচার শুনার কোন ইচ্ছা নাই।
এইগুলোর সব আমি জানি।

শুধু বলেন চুল পড়া বন্ধের রুকইয়াহ কি আছে?

আমি বলবো, আপাতত আপনার জন্য চুল পড়া বন্ধের বিশেষ কোন রুকইয়াহ নেই। তবে বদনজরের রুকইয়াহ করতে পারেন।
আরেকটা কাজ করতে পারেন, কমন রুকইয়ার আয়াতগুলো পড়ে অলিভ অয়েলে ফু দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। (কমেন্টে প্রয়োজনীয় লিংক পাবেন)
তবে জেনে রাখা ভালো, কারও কারও ক্ষেত্রে রুকইয়াহ শুরু করার পর চুল পড়া আরো বেড়ে যেতে পারে। তখন একটুও ভয় পাবেন না। স্বাভাবিকভাবে রুকইয়াহ চালিয়ে যান। একসময় ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ.. 

আর এসবের পাশাপাশি অবশ্যই চুলের যত্ন নিবেন।

উপরোক্ত কোন টিপস পছন্দ হলে ফলো করতে পারেন। আর দু'আ করতে পারেন। জুতোর ফিঁতে ছিঁড়লেও হাদিসে দু'আ করার কথা বলা হয়েছে।
তাহলে চুল পড়ার মত এত বিশাল একটা সমস্যায় দু'আ করবেন না কেন!!!!!
Share:

August 31, 2018

গর্ভকালীন সমস্যা ও রুকইয়াহ

- উম্মে আব্দুল্লাহ
----------

বর্তমানে খুবই কমন একটা প্রশ্ন, "প্রেগন্যান্ট অবস্থায় কি রুকইয়া করা যায়?? কী রুকইয়াহ করবো??
.
এ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পুর্বে আমার মনে হয় গর্ভকালীন সময়ে একজন গর্ভবতী নারীর হরমোনাল পরিবর্তনের কারনে যে শারীরিক, মানসিক পরিবর্তন আসে সেই বিষয়ে কিছু বলা দরকার।।

এ সময় যে কমন সমস্যাগুলো দেখা যায় তার মধ্যে___

মর্নিং সিকনেস, বমি বমি ভাব, পা ও পিঠে ব্যথা, কোমর ব্যথা, বুক জ্বালাপোড়া করা, ঘুম না হওয়া, অস্থিরতা, বিষণ্ণতা, মাথা ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, কখনো খাবারে অরুচি আবার কখনওবা খুব বেশি ক্ষুধা পাওয়া, পেট খারাপ হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পা ফুলে যাওয়া, কখনো কখনো শ্বাসপ্রশ্বাসেও কষ্ট হয়। এছাড়া ঘুমের সমস্যার কারনে বুক ধড়ফড় ও দুঃস্বপ্নও দেখেন অনেকেই।।
এছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রাগ, বিরক্তবোধ, একা থাকতে ভালো লাগাসহ নানা ধরনের পরিবর্তন আসে।

এগুলোকে অনেকে অস্বাভাবিক মনে করে ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ, তেল পড়া, পানি পড়া, গাছের শিকড় ইত্যাদি নেয়াসহ অনেকধরনের তদবীর করে থাকেন।। যা অপ্রয়োজনীয় আর এসবের অধিকাংশই হয় ভিত্তিহীন। গর্ভাবস্থায় কম-বেশি সবাই এসব সমস্যা ফেইস করেন। তাই এইগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে স্বাভাবিকভাবে নেবার চেষ্টা করুন। চেষ্টা করুন স্বাভাবিক থাকার, আর নিয়মমাফিক চলার।।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খান, পুষ্টিকর খাবার খান, পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমান। আর হ্যাঁ সম্ভব হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সে মোতাবেক চলার চেষ্টা করুন।
ভালো থাকবেন ইনশাআল্লাহ...
.
এতো গেলো শারীরিক, মানসিক পরিবর্তনের কথা। এবার আসি প্যারানরমাল সমস্যার দিকে।
এ সময়টা অনেকেই সাপ, বিচ্ছু, বিভিন্ন পোকামাকড়সহ নানা জীব-জন্তু স্বপ্নে দেখেন। অনেক ভয়ংকর স্বপ্ন দেখেন।। মনে হয় ওইটা স্বপ্ন না বাস্তবেই ঘটেছে।।

.
এক্ষেত্রে প্রথম কথা হচ্ছে, আপনি যাই দেখুন না কেন, স্বপ্নের কোন ব্যাখ্যা দাঁড় করাবেন না। একান্তই যদি মনে চলে আসে তাহলে ভালো কিছু ভাববেন। খারাপ স্বপ্ন দেখলে স্বপ্নের খারাবি থেকে বাঁচার জন্য দুয়া করবেন। মনে রাখবেন শয়তান আপনাকে অমুলক ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। আপনি ওদের সুযোগ দিবেন না।।
তাছাড়া ওদের কোনই ক্ষমতা নাই, আর রব্বুল আ'লামীনের ইচ্ছা ছাড়া কোন কিছুই ঘটবে না। তাই বেশি বেশি দু'আ করুন। তাঁর কাছেই সাহায্য চান।
...
একটি হাদিস আছে এরকম-
আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ভাল ও সুন্দর স্বপ্ন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে হয়ে থাকে আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে। যদি কেউ ভাল স্বপ্ন দেখে তাহলে তা শুধু তাকেই বলবে যে তাকে ভালোবাসে। অন্য কাউকে বলবে না। আর যদি স্বপ্নে খারাপ কিছু দেখে তাহলে শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করবে। (এরকম বলা যায়, আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম) এবং বাম দিকে তিনবার থুথু নিক্ষেপ করবে। আর কারো কাছে স্বপ্নের কথা বলবে না। মনে রাখবে এ স্বপ্ন তার ক্ষতি করতে পারবে না।(বুখারি ও মুসলিম)
...
অনেকে বলেন, আমি এই স্বপ্ন দেখেছি তাই এইটা হয়েছে! অমুক এই স্বপ্ন দেখেছেন এরপর এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেইটা একেবারেই অমুলক। বরং আপনি খারাপ অর্থ দাঁড় করিয়েছিলেন বলেই হয়তো এমনটা ঘটেছে। তাই আবারো বলছি স্বপ্নের ব্যাখ্যা দাঁড় করাবেন না।
...
তবে হ্যাঁ পুর্বে জ্বীন-যাদুজনিত সমস্যা থাকলে এ সময় সমস্যা কিছুটা বাড়তে পারে। এক্ষেত্রেও ভয়ের কিছু নাই।।
মাসনুন আমলগুলো গুরুত্বসহকারে করতে থাকুন।
এ সময় জ্বীন সংক্রান্ত সমস্যার কারনে রুকইয়া করার ব্যাপারটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। কারন রুকইয়াহর সাইড ইফেক্টগুলো বাচ্চা-মা দুজনের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে।।
এছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় রুকইয়াহ শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত আর ঠিকমত করেন না।
এতে সমস্যা শুধু সামনেই আসে, কোন সমাধান হয় না। আর এই সময়টা এমন কোন রিস্ক নেয়াও উচিত হবেনা যা উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর সাব্যস্ত হয়।।
তবে যদি বাচ্চা নষ্ট করার যাদু করা হয় তাহলে এ থেকে বাঁচার জন্য রুকইয়াহ করতে পারেন।
অবশ্যই তা গুরুত্বের সাথে। যদি নিশ্চিত থাকেন ঠিকঠাকমত রুকইয়াহ করতে পারবেন তাহলে আল্লাহ তা'আলার উপর ভরসা করে শুরু করতে পারেন।। (এ বিষয়ে আব্দুল্লাহর লিখা আছে। লিংক কমেন্টে)
-----
আব্দুল্লাহ তার উস্তায মুহাম্মাদ তিম হাম্বলকে একবার প্রেগন্যান্সিতে রুকইয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিল, তিনি বলেছিলেন- আমি হলে এরকম পরিস্থিতিতে একান্ত আবশ্যক না হলে ঝুঁকি নিতে যাব না।
-----
এখন প্রশ্ন হচ্ছে রুকইয়াহ না করে বিভিন্ন খারাপ জিনিসের ক্ষতি থেকে কিভাবে বাঁচবো??
উত্তরঃ গর্ভাবস্থায় রুকইয়াহ ছাড়াও কিছু আমল করা যায় সেগুলো করুন....(লিংক কমেন্টে)
এছাড়াও আরো কিছু বিষয় এ সময় মেনে চলার চেষ্টা করবেন। যা আপনাকে ও আপনার সন্তানকে সকল খারাবি থেকে রক্ষার জন্য সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ
______

১. সময়মত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করুন। সম্ভব হলে নফল ইবাদাত করুন বেশি বেশি। চেষ্টা করুন তাহাজ্জুদ মিস না দেয়ার। সাথে সালাতুল হাজতও পড়ার চেষ্টা করুন।

.
২. চেষ্টা করুন নিজের জবানকে যিকরে অভ্যস্ত করার। শুয়ে, বসে সর্বাবস্থায় আল্লাহর স্মরনে মশগুল থাকুন। অন্তরে প্রশান্তি আসবে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন____
"ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ ٱللَّهِۗ أَلَا بِذِكْرِ ٱللَّهِ تَطْمَئِنُّ ٱلْقُلُوبُ
তারাই ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই দিলের সত্যিকারের প্রশান্তি লাভ করা যায়। (সূরা রাদ: ২৮)

.
৩. গুনাহ থেকে বাঁচুন। বিশেষ করে মেয়েদের দ্বারা যে সহজ কিন্তু ভয়ংকর গুনাহগুলো সংঘটিত হয় সেগুলো থেকে বাঁচুন। একে অন্যের দোষচর্চা, সিরিয়ালপ্রীতি, পর্দা সম্পর্কে উদাসীনতা, অপ্রয়োজনে বাইরে যাওয়া এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

.
৪. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন, দরুদপাঠ করুন। তিন তাসবীহসহ প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য নির্দিষ্ট তাসবীহ সমুহ আদায় করুন।

.
৫. ওযু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাবার আগে ওযু করে নিন।
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লাম বলেন,
"যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন নামাজের মত করে ওযু করে নিবে।" (মুসলিম : ৪৮৮৪)

.
৬. সকাল সন্ধ্যা এবং ঘুমের আগের মাসনুন আমলগুলো গুরুত্বের সাথে করুন। বিশেষতঃ তিন কুলের আমল মিস দিবেন না।
সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ুন। আর ঘুমের আগে তিনবার পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে বুলিয়ে নিন। আর আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমাবেন।
.
আব্দুল্লাহ ইবনু খুবাইব রা. থেকে বর্ণিত, নবি ﷺ বলেছেন, ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ এবং ‘মুয়াওয়াযাতাইন’ সকালে ও সন্ধ্যায়—তিন বার বল। এটা সব কিছু থেকে তোমার হেফাজতের জন্য যথেষ্ট হবে। (তিরমিযী, আবু দাউদ)

.
৮. ফজর এবং আসরের পর অবশ্যই "লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া'হদাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল 'হামদ, ওয়াহুওয়া 'আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর" এটা ১০০বার পড়া। কোনোদিন না পারলে অন্তত ১০বার পড়বেন।

৯. কুর'আন তিলাওয়াত করুন। কুর'আনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করুন। এখন অনেকে বলেন কি সুরা পড়বো?? কুর'আন হাদীসে নির্দিষ্ট সুরার কথা উল্লেখ করা হয়নি।

তবে অনেক বুজুর্গ এসব সুরা বেশি বেশি পড়তে বলেছেন__
♦প্রথম মাসে- সুরা আল-ইমরান।
♦দ্বিতীয় মাসে-সূরা ইউসুফ।
♦তৃতীয় মাসে-সূরা মারিয়াম।
♦চতুর্থ মাসে-সূরা লোকমান।
♦পঞ্চম মাসে-সূরা মুহাম্মদ।
♦ষষ্ঠ মাসে- সূরা ইয়াসীন।
♦সপ্তম, অষ্টম,নবম ও দশম মাসে-সূরা ইউসুফ, মুহাম্মদ ও ইব্রাহীম।
এছাড়া এমনতেই খতমের নিয়াতেও কুর'আন পড়তে পারেন, এই লম্বা সময়ে চেষ্টা করলে অনেকবার খতম দেয়া সম্ভব।।

.
১০.এ সময় সবর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় একজন গর্ভবতী মাকে নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এক্ষেত্রে সবর করলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

এছাড়া বেশি বেশি দু'আ করুন। মনকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন, পজিটিভ থাকুন। নিজের সমস্যার কথা পরিবারের সাথে শেয়ার করুন।। আবারো বলছি মাসনুন আমলগুলো বাদ দিবেন না।
যদি ভুলে যান ইয়াদ হওয়ার সাথে সাথে পড়ে নিবেন।। আর যদি কোন সময় সমস্যা বুঝতে পারেন, তাহলে তখন তিনকুল পড়ে শরীর মুছে নিবেন।

.
এগুলো মেনে চললে নানা রকম বালা মুসিবত থেকে রক্ষা পাবেন আর রব্বুল আ'লামীনের নৈকট্যও অর্জনেও সহায়ক হবে। (ইনশাআল্লাহ)

--
আর সবশেষে বললেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হল, দোয়া। অবশ্যই অবশ্যই দোয়া করবেন, নিজের জন্য, সন্তানের জন্য দিল খুলে দোয়া করবেন। যা চান, যেমন চান সব আল্লাহর কাছে বলবেন।

আল্লাহ আমাদের বুঝার এবং মানার তাওফিক দিন। আমিন!

-----
প্রয়োজনীয় লিংক-
আমলঃ https://facebook.com/thealmahmud/posts/1432893376800188
গর্ভের সন্তান নষ্টের যাদু বিষয়েঃ https://facebook.com/thealmahmud/posts/1432893376800188
Share:

ওয়াসওয়াসাকে জয় করুন...

- উম্মে আব্দুল্লাহ 
----------

গতকাল সকালে এক ছোট আপুর সাথে কথা হচ্ছিলো, কথা প্রসংগে ওয়াসওয়াসার কথা উঠলো। তাই মনে হলো এই ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা করা দরকার।
সত্যি বলতে এই সমস্যাটা আমি নিজেও ফেস করি। আমার মনে হয় প্রায় প্রতিটা মানুষই এমন সমস্যা কমবেশি ফেস করেছেন। কারন শয়তানের কাজই হচ্ছে মানুষকে কুমন্ত্রণা দেয়া। আর যার যা কাজ তা তো সে করবেই। এখন কথা হচ্ছে আপনি শয়তানের ফাঁদে পা দিচ্ছেন নাকি ইগনোর করছেন।
কারন শয়তানের কাজ যেমন ওয়াসওয়াসা দেয়া তেমনি আপনার কাজ হচ্ছে সেটাকে পাত্তা না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া। আপনি এই সমস্যাকে যত বেশি গুরুত্ব দিবেন, এটা তত বেশি জেঁকে বসবে।
.
আমার বাবাকে দেখি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেন। বুঝতে পারি উনিও ভুক্তভোগী। অনেকেই বলেন উনার শুচিবায়ু রোগ আছে। কিন্তু আমরা কখনো উনাকে বলিনি এইটা নিয়ে আবার কেউ বললেও সেইটাকে ইগনোর করেছি। উনিও এইটাকে স্বাভাবিকভাবে নিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ উনাকে এইজন্য কোন ডাক্তার বা বিশেষ কোন তদবির করা লাগেনি।
শুধু বাবা না আমি নিজেও বেশ বাজে রকমের ওয়াসওয়াসা ফেস করি অন্যদের ব্যাপারে। কারো সাথে একটু ভালো সম্পর্ক হলে বা কারো প্রতি ভালোলাগা তৈরি হলে তার সম্পর্কে বেশ খারাপ চিন্তা আসে।
আবার কারো সাথে সামনাসামনি কথা বলতে গেলেও তার একটা বাজে ইমেজ তৈরি হয় চোখের সামনে। মনে হয় উনি যা বলেন বা করেন সবই ফেইক।
যেহেতু আমি বুঝি যে এইটা নিছকই শয়তানের কুমন্ত্রণা তাই ইগনোর করার চেষ্টা করি। খুব বেশি ভালো সম্পর্ক না থাকলে চেষ্টা করি তার সাথে ভালো একটু সম্পর্ক তৈরি করার যেন তার সম্পর্কে ভুল ধারনাটা ভেঙ্গে যায়। আর ভালো সম্পর্ক থাকলে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখি। যেন সে টের না পায় যে আমার ভেতরে কি চলছে।
আর ফেবু রিলেটেড হলে তাকে একটা সালাম পাঠাই। ইতিমধ্যে অনেকে পেয়েও গেছেন।
পরে অবশ্য সময় সুযোগ বুঝে বলে দেই কথাগুলো। নাহলে ভেতরে একধরনের খারাপ লাগা কাজ করে। আর বলার পরে অনেক ভালো লাগে আলহামদুলিল্লাহ।
.
মজার বিষয় হচ্ছে আমিও ভাবলাম এমন চিন্তা শুধু আমার মনে আসে। কিন্তু পরে দেখলাম অনেক দ্বীনি ভাই বোন আছেন যারা এই সমস্যাগুলো ফেইস করেন।
সেদিন খুব পছন্দের এবং ভালোবাসার এক আপু বলছিলেন আমার মত তিনিও এমন সমস্যায় ভুগছেন। কত যে উলটাপালটা চিন্তা আসে।
আব্দুল্লাহর আবার নতুন কারো সাথে কথা বলার সময় তাকে মারতে ইচ্ছে করে।। আলহামদুলিল্লাহ আজ অবধি কাউকে হার্ট করেনি। কারন সেও এই ধরনের সমস্যাগুলোকে ইগনোর করে।।

.
যাই হোক একটা বিষয় খেয়াল করেছি শয়তান দ্বীনি ভাই-বোনদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি করার চেষ্টায় থাকে সবসময়। কারন এতে ফিতনা তৈরি হবে। দ্বীনি সার্কেলের বাইরে এই ব্যাপারগুলো তেমন গুরুত্ববহন করেনা। কিন্তু দ্বীনি সার্কেলের সবাই একে অন্যের হক্বের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন, আর শয়তান কখনোই চাইবেনা সবাই আল্লাহ তা'আলার হুকুম মেনে চলুক। তাই নানা ধরনের ফাঁদ পাততে থাকে। ফলে তৈরি হয় বিভিন্ন ফিতনা-ফ্যাসাদ।
যা বিগতকয়েকমাস ধরে প্রকট আকার ধারন করেছে।।
.
অথচ রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লাম এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকতে বলছেন। তিনি বলেছেন, "পরস্পরে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। একে অন্যের দোষ তালাশে লিপ্ত থেকো না। পরস্পরে শত্রুতা পোষণ করোনা। হিংসা করো না। সকলে আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে যাও।"
_____ বুখারী
.
যাহোক, এইবার আসি ওয়াসওয়াসা প্রসঙ্গে,
ওয়াসওয়াসার কথাটার পরিবর্তে অনেকেই মেডিকেলীয় টার্ম ব্যবহার করেন। অনেকে বলেন শুচিবায়ু, অনেকে বলেন সংশয়রোগ আবার অনেকে বলেন OCD(obsessive compulsive disorder).
তা যে নামই ব্যবহার করেন না কেন সমস্যাগুলো একই...
এই রোগের প্রধান সমস্যা হচ্ছে রোগীর মাথায় নানা ধরনের বিব্রতকর চিন্তা আসে। কখনো সাধারণ একটা বিষয় মাথায় ঢুকে ঘুরতেই থাকে, চাইলেও এই চিন্তা থেকে বের হতে পারেন না। আর এটা থেকে বের হয়ে আসার জন্য নানা ধরনের অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। যেমন একই কাজ বারবার করা, যেকোন বিষয়ে খুব বেশি সন্দেহ বা বাড়াবাড়ি করা, গোসলের পরেও পবিত্রতা নিয়ে সন্দেহে ভুগা। টয়লেটে গেলে নাপাকি নিয়ে সন্দেহের ফলে মাত্রাধিক সময় লাগানো।অন্যের ব্যাপারে সন্দেহ ও বাজে ধারনা তৈরি হওয়া, ইত্যাদি...
.
এগুলো সবই ওয়াসওয়াসার অংশবিশেষ,
অনেকে আবার ধর্মীয় নানা বিষয় যেমন-স্মৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব, নামাজ-কালাম সহ নানা বিষয়েও সন্দেহ তৈরি হয়....
এগুলো শয়তানের প্ররোচনা ছাড়া আর কিছুই না...
তাই সর্বপ্রথম যেটা দরকার তা হলো শয়তানকে পরাজিত করার তীব্র ইচ্ছাশক্তি আর আল্লাহ তা'আলার উপর তাওয়াক্কুল।।
.
অনেকে বলেন, আমি নামাজ-কালাম পড়ি পর্দা করি তবুও কেন ওয়াসওয়াসায় ভুগি?? সবসময় হীনমন্নতায় ভুগেন।
সে ক্ষেত্রে একটা কথাই বলবো এটা নিয়ে মন খারাপ করার কিছু নাই। নিজেকে ছোট ভাবারও কিছু নাই।। ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বেশ কিছু হাদীস রয়েছে।

হযরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্নিত আছে যে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সংখ্যক সাহাবী তাঁর নিকট এসে বললেন, "আমরা অনেক সময় আমরা নিজেদের অন্তরে এমন কথা ও কল্পনা অনুভব করি যা মুখে আনাও গুরুতর অন্যায় মনে করি। রসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন: বাস্তবিকই তোমরা এটাকে গুরুতর অন্যায় মনে করো? তারা উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। আমাদের অবস্থা তো তাই।
তখন তিনি বললেন, এটা তো স্পষ্ট ঈমান।
____মুসলিম

অর্থাৎ যখন কারও অন্তরে এই অবস্থা বিরাজ করে যে, দ্বীন ও শরীয়তের খেলাফ কোন ওয়াসওয়াসা আসলেও সে ঘাবড়ে যায় এবং এইটা মুখে উচ্চারণ করতেও ভয় পায়, তখন ধরে নিতে হবে এটা খাঁটি ঈমানেরই লক্ষণ। চোর-ডাকাত সেখানেই হামলা করে, যেখানে দামী সম্পদ আছে।
.
এখন মনে হতে পারে ঈমানদার বান্দা হলে ওয়াসওয়াসা কেন আসবে?
ওয়াসওয়াসা তো মুলত শয়তানের কুমন্ত্রণা। তাই ওয়াসওয়াসা আসা স্বাভাবিক। এতে নিজের ঈমান নিয়ে যেন সংশয়ে না পড়ে যাই। এতে শুধু হতাশাই বাড়বে আর শয়তান খুশি হবে।
একবার ভেবে দেখুন রসুল (স) এর সাহাবীদের পর্যন্ত ওয়াসওয়াসা এসেছে তাহলে আমাদের জন্য তো খুবই স্বাভাবিক.....
আর রব্বুল আ'লামীনও ওয়াসওয়াসার কারনে যে কুচিন্তার উদয় হয় তা মাফ করে দিছেন। এর ফলে কোন গুনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ।
.
হাদিসটি খেয়াল করি-
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : "আল্লাহ তা'আলা আমার উম্মতের অন্তরে আবর্তিত কুচিন্তা ও ওয়াসওয়াসার বিষয়টি মাফ করে দিয়েছেন— যে পর্যন্ত এগুলো কার্যে পরিণত অথবা মুখে উচ্চারন না করা হয়।
—বুখারী,মুসলিম

অর্থাৎ এইসব কুচিন্তা ও ওয়াসওয়াসা যেই পর্যন্ত ওয়াসওয়াসা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে, সে পর্যন্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে এর উপর কোন শাস্তি দেয়া হবে না। তবে যখন এইগুলা ওয়াসওয়াসার পর্যায় অতিক্রম করে কথা বা কাজে পরিনত হয়ে যায়, তখন এগুলোর জন্য শাস্তি দেয়া হবে।

তাই যতই ওয়াসওয়াসা আসুক। সেগুলো ইগনোর করেন। এমনকি অন্য কাউকে বলা থেকেও বিরত থাকেন।
শয়তানকে খোঁচাচ্ছে খোঁচাক, আপনি তার ফাঁদে পা দিবেন না। দেখবেন একসময় শয়তান নিরাশ হয়ে আপনাকে ছেড়ে দিবে।
আর হ্যাঁ যত বেশি ওয়াসওয়াসা আসবে তত বেশি আল্লাহর শরণাপন্ন হবেন। এতে ফায়দা আপনারই....
এটাও আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট মনে করে নেন!
ওইযে সার্ফএক্সেলের সেই এডের কথা মনে আছে না??
"দাগ থেকে যদি দারুন কিছু হয় তাহলে দাগই ভালো।"
এক্ষেত্রেও খারাপের মাঝে ফায়দাটাই দেখেন। (রব্বুল আ'লামীন চান তো) দেখবেন আস্তে আস্তে সমস্যাগুলো স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

তবে এরপরেও যদি খুব বেশি সমস্যা মনে হয় তাহলে আব্দুল্লাহর ওয়াসওয়াসা পোস্ট পড়ে অথবা অডিও ক্লিপটা শুনে সে মোতাবেক আমল করতে পারেন।
উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ...







------------

কমেন্ট থেকে-

: Apu kichu way bole diben.. kanna kore fed up hoye jai.. bathroom theke ber hote parina.

- বাথরুমের কাজ যখনই শেষ হবে। কোন কিছু চিন্তা না করেই দ্রুত বের হয়ে যাবেন।। যদিওবা তা একদিনে সম্ভব না তবুও চেষ্টা চালিয়ে যান আপু....

: Namaz shuru kore diye mone hoy allahu akbar taqbir korini.. abar bhenge dei.. pura namaze eta korini oita hoynai cholte thake..

- এরপর থেকে মনে হলেও অইটা করবেন না। সালাত কন্টিনিউ করবেন। বেশিরভাগ মানুষেরই এই সমস্যা আছে আপু। কথা একটাই শুধু মনে হলে কিছুই করবেন না। যখন শতভাগ শিওর হবেন তখনই নতুন করে শুরু করবেন আপু।

: আমার ৪রাকাত নামাজে প্রায় সব সময়ই সাহুসিজদা দিতে হয়। শুধু সন্দেহ হয়। মনে হয়- সিজদা কম দিয়েছি কোন রাকাতে বা ২রাকাতের সময় বসি নি। এর কি সমাধান হতে পারে। নামাজে বাজে কথা মনে পড়লে কি করা উচিত??

- ১০০% শিওর না হলে আপনার সাহু-সিজদা দেয়ার দরকার নেই আপু। চেষ্টা করুন মনোযোগসহকারে সালাত আদায় করার....

: ocd এর জন্য গতকাল ডাক্তার দেখাই আসলাম। অসিডি শয়তানের ধোঁকায় হয় কিনা জানি না তবে আল্লাহ সম্পরকে যে কু চিন্তা আসে তা শয়তানের কারনে। ডাক্তার এর চেম্বের এর পাসে এক পেপার এ লেখা ছিল অসিডি > আল্লাহ সম্পর্কে আজেবাজে চিন্তা আসে। এখন শুচিবাই মেডিক্যাল সমাধান হবে না ইসলাম এর রুলস অনুসরন করতে হবে। কুরান এ আসছে যখন শয়তান তোমাকে ঘোরাতে চাই তুমি আল্লাহর আশ্রই প্রার্থনা কর।?????

- ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিতে তো নিষেধ করা হয়না। তবে যেইটাই করুন রব্বুল আ'লামীনে মর্জি না হলে সুস্থতা সম্ভব না। তাই বেশি বেশি করে দু'আ করুন, তাঁকে ডাকুন...

- যারা অযু, গোসল, নামাজ নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন তাদের বলি উত্তমরুপে একবারই অযু করুন এরপর যত্নসহকারে সালাত আদায় করে নিন। এরমধ্যে যদি আপনি সংশয়ে পড়ে যান তাহলে নতুন করে কোন কিছুরই দরকার নেই... মনে রাখবেন ওয়াসওয়াসা মানেই সংশয়রোগ। তাই চেষ্টা করেন ইগনোর করা। তারপরেও না পারলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি ১০০% শিওর তো?? যদি ১০০% শিওর হোন তাহলে আবার অযু করে সালাত আদায় করুন...
Share:

June 20, 2018

বিশেষ স্বাদের খোজে!

অন্যের জীবনে অবদান রাখতে পারার একটা স্বাদ আছে। এই স্বাদটা কেউ একবার পেলে সহজে ভুলতে পারেনা।
আচ্ছা এটা কিন্তু নতুন বর্ষের কোন পোস্ট না.. এমনিই রোজনামচা আরকি।

বলছিলাম কন্ট্রিবিউটের কথা, ব্যাপারটা এরকম না যে, কেউ দান করলে বা কাউকে সহায়তা করলেই এর স্বাদ পাবে। যেমন, নামাজ তো আমরা কতই পড়ি... সাহাবা রাযিয়াল্লাহু আনহুম নামাজের যে স্বাদ পেতেন সেটা কি পেয়েছি?
এই স্বাদ পাওয়ার প্রথম শর্ত হচ্ছে, প্রতিদানে কিছু আশা করা যাবে না। আল্লাহর সন্তুষ্টি চাইবেন, সেটা তো অবশ্যই। যাকে সহায়তা করছেন, তাঁর থেকে কোন ফায়দার আশা রাখা যাবে না। হ্যাঁ! বন্ধু হিসেবে, সহযাত্রী হিসেবে কিংবা সঙ্গী হিসেবে বা অন্য যেকোন সম্পর্কের সূত্রে একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতেই পারেন, কিন্তু আপনি যে বিশেষভাবে আপলিফট (uplift) করছেন, এটা না কাউকে বলবেন, আর না এর বিনিময় পাওয়ার ইচ্ছা রাখবেন।

দ্বিতীয়তঃ ক্ষণস্থায়ী সাহায্যের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী উপকারকে প্রাধান্য দেয়া। ওই যে প্রবাদ আছে না? কাউকে আপনি একটা মাছ দিলেন, অর্থাৎ আপনি তাকে এক বেলা বা একদিন খাওয়ালেন। আর আপনি যদি কাউকে মাছ ধরা শিখান, তবে আপনি তাকে সারা জীবন খাওয়ালেন। সুতরাং এমন কিছু করার চেষ্টা করুন, যা অন্যের সামগ্রিক জীবনের ওপর অবদান রাখবে। স্বাদ পাবেন...

তৃতীয়তঃ তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। এটা ব্যাখ্যা করার যোগ্যতা আমার নাই।

---
Share:

একচোখের গল্প

একটা বিষয় জানা উচিত, পাগলা কন্সপাইরেসি থিয়োরিস্ট গ্রুপ এক চোখের একটা সিম্বল দেখিয়ে সেটাকে দাজ্জালের চোখ বলে প্রচার করে।
সেটা মূলত মিশরীয় দেবতা হোরাস (horus) এর চোখ। বিপদ-আপদ থেকে বাঁচতে এই এক চোখের তাবিজ পশ্চিমা দেশগুলোতে বেশ প্রসিদ্ধ। তুরস্কের মুসলমানদের মাঝেও এই কুসংস্কার প্রচলিত আছে।



দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, এখনও বিভিন্ন দেশের যাদুকরেরা মিশরে গিয়ে বিশেষ বিশেষ রিচ্যুয়াল পালন করে, মিশরীয় দেবতাদের নামে বিভিন্ন কিছু উৎসর্গ করে (যার মধ্যে মানুষের প্রাণও উৎসর্গ হয়) এভাবে এই মানুষ শয়তানগুলো জিন শয়তানদের নিকটবর্তী হয়।

তৃতীয় কথা, যাদু বিদ্যার বর্তমানে যতগুলো শাখা প্রচলিত আছে, তারমাঝে বিশেষতঃ লিখিত যাদু (যেমন: তাবিজ), এগুলোর সর্বপ্রথম ব্যপক চর্চা হয়েছে মিশরে। যাদুর সর্বাধিক শাখা প্রশাখা মিশরেই বিস্তৃত হয়েছে। ব্যাবিলনে যাদু চর্চা ছিল, তবে এত প্রকারের না। 

চতুর্থ কথা হচ্ছে, হিন্দুস্থানের যাদু দুনিয়াজুড়ে বিখ্যাত, তবে হিন্দুস্থানিরা নাকি বাংলাদেশি যাদুকে বেশি ভয়াবহ মনে করে!! বাদবাকি আমার মনে হয়েছে, উপমহাদেশি যাদুগুলো কেমন যেন ছোটলোকি টাইপের!! আর এই তন্ত্রমন্ত্রের অনেক কিছুই হিন্দুদের ধর্মের অংশ তো, তাই এতদিন ধরে এখানে টিকে আছে। বাংলাদেশে হিন্দুর সংখ্যা কমে গেছে আগের (বৃটিশ আমলের) চেয়ে, তাই এখানে যাদুর চর্চাও কমে গেছে।
শেষ কথা, বলছিলাম হোরাস এর গল্প, এ মূলতঃ মিশরের একজন রাজা ছিল। কার সাথে সিংহাসনের জন্য যুদ্ধ করছিল, পরে নাকি দেশ শাসন করেছে। কালক্রমে ওরে কেউ নিরাপত্তার দেবতা, কেউ বাতাসের দেবতা, কেউ আয়-উন্নতির দেবতা বানায় ফেলছে -_-

অহ, হোরাসের চোখ (eye of horus) এর মত আরেকটা চোখ প্রসিদ্ধ আছে, মিশরীয়দের সুর্য এবং সৃষ্টির দেবতা 'রা' এর চোখ (eye of ra) এছাড়া তৃতীয় চোখ (জ্ঞানের চক্ষু / অন্তর্দৃষ্টি) বুঝাতেও এক চোখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লোগোতে ব্যবহার হয়। 

--
যেটাই হোক কেন, এটা যে দাজ্জালের চোখ না, আপনি নিশ্চিত থাকেন
Share: